নাটোর | রেজি: নং-রাজ: ১৬১ | শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ | ২৯ বর্ষ

প্রিন্ট ভার্সন দেখতে ক্লিক করুনপ্রিন্ট ভার্সনআর্কাইভ
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিনসাপ্তাহিক হিসাবের পাঠকের কাছে পৌঁছান — বিস্তারিত জানুন →
প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দ্বিগুণ, কাজ থমকে আছে তিন বছর

প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৪২০ কোটি টাকা। দুই দফা সংশোধনের পর তা দাঁড়িয়েছে ৮৭৫ কোটিতে। অথচ মাঠপর্যায়ে কাজের অগ্রগতি ৩৮ শতাংশের বেশি নয়।

প্রকল্প এলাকার একটি অংশ। ছবি: নমুনা

প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় শেষ করার কথা ছিল তিন বছরে। ছয় বছর পার হলেও কাজ শেষ হয়নি। নথি বলছে, দুই দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এবং প্রতিবারই ব্যয় সংশোধন করা হয়েছে ঊর্ধ্বমুখী হারে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম সংশোধনে ব্যয় বাড়ে ১৮৫ কোটি টাকা। দ্বিতীয় দফায় যুক্ত হয় আরও ২৭০ কোটি। এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে নির্মাণসামগ্রীর দাম, জমি অধিগ্রহণ ও নকশা পরিবর্তন।

নথিতে যা আছে

মাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদনে টানা সাত মাস একই শতাংশ লেখা হয়েছে। অর্থাৎ ওই সময়ে কার্যত কোনো কাজ হয়নি, কিন্তু তদারকি ব্যয় ঠিকই দেখানো হয়েছে।

যে প্রকল্পের অগ্রগতি সাত মাসে বদলায় না, সেই প্রকল্পের তদারকি ব্যয় কেন বদলায় — এই প্রশ্নের উত্তর নথিতে নেই।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে। বর্ষায় খোঁড়া অংশে পানি জমে থাকে।

জবাব কী

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলছেন, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা কেটে গেছে এবং আগামী অর্থবছরে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে সংশোধিত সময়সূচি এখনো অনুমোদিত হয়নি।

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রাক্কলন দুর্বল হলে ব্যয় বৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে ওঠে। শুরুতেই বাস্তবসম্মত হিসাব ও নিয়মিত প্রকাশ্য অগ্রগতি প্রতিবেদন এই সমস্যার বড় অংশ কমাতে পারে।